পল্লীতথ্য কেন্দ্র ও তথ্যকল্যাণী মডেল বিনিময় আঞ্চলিক কর্মশালা, বরিশাল (৪ ডিসেম্বর, ২০১১)।
ডি.নেটের উদ্ভাবিত মডেলগুলির একটি হল 'তথ্যকল্যাণী' মডেল। 'তথ্যকল্যাণী' স্থানীয় শিক্ষিত নারীদের জন্য একটি আধুনিক স্বনির্ভর পেশা। নিজ বাড়িতে বসে কিংবা সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, গৃহকর্মী, বেকার যুবক-যুবতী, কৃষিজীবি, শ্রমজীবি, বয়স্ক সহ সকল এলাকাবাসীকে তথ্য ও পরামর্শ এবং রকমারি সেবা প্রদানের একটি সম্মানজনক পথ। নারী, শিশু, বৃদ্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ যারা ঘরের বাইরে সচরাচর বের হতে পারেন না তাদের জন্য তথ্যকল্যাণী একটি বিশেষ আয়োজন। ল্যাপটপে সংরক্ষিত জীয়ন তথ্যভাণ্ডারসহ আরো অনেক তথ্যভাণ্ডার, ভিডিও, এনিমেশন ব্যবহার করে কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্যকল্যাণী তাত্ক্ষণিক তথ্য প্রদান করতে পারেন। স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ সকল সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সাথে থাকে তথ্যকল্যাণীর বিশেষ যোগাযোগ। প্রয়োজন হলেই মানুষের চাহিদা অনুসারে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রদান করতে পারেন। কিংবা এলাকাবাসীকে কাঙ্খিত সেবাগ্রহণের জন্য তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারেন। তথ্যকল্যাণী তার ভাই-বোন-স্বামী কিংবা মা-বাবাকে সাথে নিয়ে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারেন। পরিবারের সকলে একত্রে কাজ করলে নানানমাত্রিক সুবিধা পাওয়া যায়। তথ্যকল্যাণী ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে কিংবা শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকলেও পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে বসেই এলাকাবাসীকে সেবা প্রদানের কাজ অব্যাহত রাখতে পারেন। ফলে সেবাগ্রহীতাগণ সঠিক সময়ে সেবা পেয়ে সন্তষ্ট থাকেন এবং পরিবারের আয়ও নিশ্চিত থাকে।
তথ্যকল্যাণী অনেকগুলি সেবার মাধ্যমে আয় করেন। তারা মাসে ৫০০০ টাকা থেকে শুরু করে কোনো কোনো সময়ে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। গ্রাম পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তা পল্লীতথ্য কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে কিংবা প্রতি ইউনিয়নে ৩-৪ জন তথ্যকল্যাণী নিযুক্ত করতে পারেন এবং সার্বিক খাত থেকে পর্যাপ্ত আয় করে কার্যক্রম চলমান রাখতে পারেন।
Date & Time: ৪ ডিসেম্বর, ২০১১ইং (সকাল ৯ টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)
Resource Person : Md. Forhad Uddin,
Deputy Programme Director
... Resource Person : Dr. Ananya Raihan,
Executive Director
Resource Person : Mosharrof Hossain,
Deputy Director
Resource Person : Sk. Masudur Rahman,
Deputy Director
পল্লীতথ্য কেন্দ্র ও তথ্যকল্যাণী মডেল বিনিময় আঞ্চলিক কর্মশালা, চট্টগ্রাম (২৭ নভেম্বর, ২০১১)।
ডি.নেটের উদ্ভাবিত মডেলগুলির একটি হল 'তথ্যকল্যাণী' মডেল। 'তথ্যকল্যাণী' স্থানীয় শিক্ষিত নারীদের জন্য একটি আধুনিক স্বনির্ভর পেশা। নিজ বাড়িতে বসে কিংবা সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, গৃহকর্মী, বেকার যুবক-যুবতী, কৃষিজীবি, শ্রমজীবি, বয়স্ক সহ সকল এলাকাবাসীকে তথ্য ও পরামর্শ এবং রকমারি সেবা প্রদানের একটি সম্মানজনক পথ। নারী, শিশু, বৃদ্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ যারা ঘরের বাইরে সচরাচর বের হতে পারেন না তাদের জন্য তথ্যকল্যাণী একটি বিশেষ আয়োজন। ল্যাপটপে সংরক্ষিত জীয়ন তথ্যভাণ্ডারসহ আরো অনেক তথ্যভাণ্ডার, ভিডিও, এনিমেশন ব্যবহার করে কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্যকল্যাণী তাত্ক্ষণিক তথ্য প্রদান করতে পারেন। স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ সকল সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সাথে থাকে তথ্যকল্যাণীর বিশেষ যোগাযোগ। প্রয়োজন হলেই মানুষের চাহিদা অনুসারে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রদান করতে পারেন। কিংবা এলাকাবাসীকে কাঙ্খিত সেবাগ্রহণের জন্য তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারেন। তথ্যকল্যাণী তার ভাই-বোন-স্বামী কিংবা মা-বাবাকে সাথে নিয়ে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারেন। পরিবারের সকলে একত্রে কাজ করলে নানানমাত্রিক সুবিধা পাওয়া যায়। তথ্যকল্যাণী ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে কিংবা শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকলেও পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে বসেই এলাকাবাসীকে সেবা প্রদানের কাজ অব্যাহত রাখতে পারেন। ফলে সেবাগ্রহীতাগণ সঠিক সময়ে সেবা পেয়ে সন্তষ্ট থাকেন এবং পরিবারের আয়ও নিশ্চিত থাকে।
তথ্যকল্যাণী অনেকগুলি সেবার মাধ্যমে আয় করেন। তারা মাসে ৫০০০ টাকা থেকে শুরু করে কোনো কোনো সময়ে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। গ্রাম পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তা পল্লীতথ্য কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে কিংবা প্রতি ইউনিয়নে ৩-৪ জন তথ্যকল্যাণী নিযুক্ত করতে পারেন এবং সার্বিক খাত থেকে পর্যাপ্ত আয় করে কার্যক্রম চলমান রাখতে পারেন।
Date & Time: ২৭ নভেম্বর, ২০১১ইং (সকাল ৯ টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)
Resource Person : Sk. Masudur Rahman,
Deputy Director
Resource Person : Mosharrof Hossain,
Deputy Director
Resource Person : Md. Forhad Uddin,
Deputy Programme Director
... Resource Person : Dr. Ananya Raihan,
Executive Director
Venue : আর্ট গ্যালারি সেমিনার হল (নীচ তলা), চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমী , মোহাম্মদ আলী রোড, দামপাড়া, চট্টগ্রাম।
পল্লীতথ্য কেন্দ্র ও তথ্যকল্যাণী মডেল বিনিময় আঞ্চলিক কর্মশালা, সিলেট( ২০ নভেম্বর, ২০১১ইং)
ডি.নেটের উদ্ভাবিত মডেলগুলির একটি হল 'তথ্যকল্যাণী' মডেল। 'তথ্যকল্যাণী' স্থানীয় শিক্ষিত নারীদের জন্য একটি আধুনিক স্বনির্ভর পেশা। নিজ বাড়িতে বসে কিংবা সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, গৃহকর্মী, বেকার যুবক-যুবতী, কৃষিজীবি, শ্রমজীবি, বয়স্ক সহ সকল এলাকাবাসীকে তথ্য ও পরামর্শ এবং রকমারি সেবা প্রদানের একটি সম্মানজনক পথ। নারী, শিশু, বৃদ্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ যারা ঘরের বাইরে সচরাচর বের হতে পারেন না তাদের জন্য তথ্যকল্যাণী একটি বিশেষ আয়োজন। ল্যাপটপে সংরক্ষিত জীয়ন তথ্যভাণ্ডারসহ আরো অনেক তথ্যভাণ্ডার, ভিডিও, এনিমেশন ব্যবহার করে কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্যকল্যাণী তাত্ক্ষণিক তথ্য প্রদান করতে পারেন। স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ সকল সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সাথে থাকে তথ্যকল্যাণীর বিশেষ যোগাযোগ। প্রয়োজন হলেই মানুষের চাহিদা অনুসারে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রদান করতে পারেন। কিংবা এলাকাবাসীকে কাঙ্খিত সেবাগ্রহণের জন্য তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারেন। তথ্যকল্যাণী তার ভাই-বোন-স্বামী কিংবা মা-বাবাকে সাথে নিয়ে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারেন। পরিবারের সকলে একত্রে কাজ করলে নানানমাত্রিক সুবিধা পাওয়া যায়। তথ্যকল্যাণী ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে কিংবা শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকলেও পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে বসেই এলাকাবাসীকে সেবা প্রদানের কাজ অব্যাহত রাখতে পারেন। ফলে সেবাগ্রহীতাগণ সঠিক সময়ে সেবা পেয়ে সন্তষ্ট থাকেন এবং পরিবারের আয়ও নিশ্চিত থাকে।
তথ্যকল্যাণী অনেকগুলি সেবার মাধ্যমে আয় করেন। তারা মাসে ৫০০০ টাকা থেকে শুরু করে কোনো কোনো সময়ে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। গ্রাম পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তা পল্লীতথ্য কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে কিংবা প্রতি ইউনিয়নে ৩-৪ জন তথ্যকল্যাণী নিযুক্ত করতে পারেন এবং সার্বিক খাত থেকে পর্যাপ্ত আয় করে কার্যক্রম চলমান রাখতে পারেন।
Date & Time: ২০ নভেম্বর, ২০১১ইং (সকাল ৯ টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)
Resource Person : Sk. Masudur Rahman,
Deputy Director
Resource Person : Mosharrof Hossain,
Deputy Director
Resource Person : Md. Forhad Uddin,
Deputy Programme Director
... Resource Person : Dr. Ananya Raihan,
Executive Director
D.Net has arranged a ToT on wireless networking which will be from 21 November, 2011 to 23 November, 2011 i.e. 3 days. It is to give the participant a basic understanding of networking and specifically wireless network, configuration of Radio device as Access Point and as a client. Also manage, maintain and monitor a small wireless ISP with following features:
•Broadcast a network of internet and create an environment of better security (WEP/WPA, MAC authentication)
•Create different kind of user according to rate, time and volume.
•Secure the network of different kind of malicious virus.
•Monitor the traffic daily, weekly, monthly and yearly and maintain accordingly.
Date & Time: 21-23 November, 2011
Resource Person : Shahid Ahmad,
Trainer
Network Engineer, Digital Empowerment Foundation. • Server Administrator, Digital Empowerment Foundation from Jan-08 ... Resource Person : Rajendra Poudel,
Trainer
Microsoft Certified System Engineer (MCSE)-2002, Kathmandu, Nep. • Cisco Certified Network Associate(CCNA)- 2003- Hyd ... Resource Person : Bikram Acharya,
Trainer
Cisco Certified Network Associate(CCNA). • Network Engineer, Nepal Wireless Project from Jan-10 and onwards. • Net ...
তথ্যকল্যাণী ফ্র্যানচাইজ মডেল সম্প্রসারণ (৫ জুন ২০১১ইং)
ডি.নেটের উদ্ভাবিত মডেলগুলির একটি হল 'তথ্যকল্যাণী' মডেল। 'তথ্যকল্যাণী' স্থানীয় শিক্ষিত নারীদের জন্য একটি আধুনিক স্বনির্ভর পেশা। নিজ বাড়িতে বসে কিংবা সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, গৃহকর্মী, বেকার যুবক-যুবতী, কৃষিজীবি, শ্রমজীবি, বয়স্ক সহ সকল এলাকাবাসীকে তথ্য ও পরামর্শ এবং রকমারি সেবা প্রদানের একটি সম্মানজনক পথ। নারী, শিশু, বৃদ্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ যারা ঘরের বাইরে সচরাচর বের হতে পারেন না তাদের জন্য তথ্যকল্যাণী একটি বিশেষ আয়োজন। ল্যাপটপে সংরক্ষিত জীয়ন তথ্যভাণ্ডারসহ আরো অনেক তথ্যভাণ্ডার, ভিডিও, এনিমেশন ব্যবহার করে কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্যকল্যাণী তাত্ক্ষণিক তথ্য প্রদান করতে পারেন। স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ সকল সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সাথে থাকে তথ্যকল্যাণীর বিশেষ যোগাযোগ। প্রয়োজন হলেই মানুষের চাহিদা অনুসারে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রদান করতে পারেন। কিংবা এলাকাবাসীকে কাঙ্খিত সেবাগ্রহণের জন্য তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারেন। তথ্যকল্যাণী তার ভাই-বোন-স্বামী কিংবা মা-বাবাকে সাথে নিয়ে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারেন। পরিবারের সকলে একত্রে কাজ করলে নানানমাত্রিক সুবিধা পাওয়া যায়। তথ্যকল্যাণী ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে কিংবা শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকলেও পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে বসেই এলাকাবাসীকে সেবা প্রদানের কাজ অব্যাহত রাখতে পারেন। ফলে সেবাগ্রহীতাগণ সঠিক সময়ে সেবা পেয়ে সন্তষ্ট থাকেন এবং পরিবারের আয়ও নিশ্চিত থাকে।
বতমানে বাংলাদেশে ৪৩ জন তথ্যকল্যাণী কাজ করছেন। তথ্যকল্যাণী অনেকগুলি সেবার মাধ্যমে আয় করেন। তারা মাসে ৫০০০ টাকা থেকে শুরু করে কোনো কোনো সময়ে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। গ্রাম পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তা পল্লীতথ্য কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে কিংবা প্রতি ইউনিয়নে ৩-৪ জন তথ্যকল্যাণী নিযুক্ত করতে পারেন এবং সার্বিক খাত থেকে পর্যাপ্ত আয় করে কার্যক্রম চলমান রাখতে পারেন।
Date & Time: ৫ জুন ২০১১ইং
Resource Person : Sk. Masudur Rahman,
Deputy Director
Resource Person : Mosharrof Hossain,
Deputy Director
Resource Person : Md. Forhad Uddin,
Deputy Programme Director
... Resource Person : Dr. Ananya Raihan,
Executive Director
ডি.নেটের উদ্ভাবিত মডেলগুলির একটি হল ‘তথ্যকল্যাণী’ মডেল। ‘তথ্যকল্যাণী’ স্থানীয় শিক্ষিত নারীদের জন্য একটি আধুনিক স্বনির্ভর পেশা। নিজ বাড়িতে বসে কিংবা সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, গৃহকর্মী, বেকার যুবক-যুবতী, কৃষিজীবি, শ্রমজীবি, বয়স্ক সহ সকল এলাকাবাসীকে তথ্য ও পরামর্শ এবং রকমারি সেবা প্রদানের একটি সম্মানজনক পথ। নারী, শিশু, বৃদ্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ যারা ঘরের বাইরে সচরাচর বের হতে পারেন না তাদের জন্য তথ্যকল্যাণী একটি বিশেষ আয়োজন। ল্যাপটপে সংরক্ষিত জীয়ন তথ্যভাণ্ডারসহ আরো অনেক তথ্যভাণ্ডার, ভিডিও, এনিমেশন ব্যবহার করে কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্যকল্যাণী তাত্ক্ষণিক তথ্য প্রদান করতে পারেন। স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ সকল সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সাথে থাকে তথ্যকল্যাণীর বিশেষ যোগাযোগ। প্রয়োজন হলেই মানুষের চাহিদা অনুসারে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রদান করতে পারেন। কিংবা এলাকাবাসীকে কাঙ্খিত সেবাগ্রহণের জন্য তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারেন। তথ্যকল্যাণী তার ভাই-বোন-স্বামী কিংবা মা-বাবাকে সাথে নিয়ে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারেন। পরিবারের সকলে একত্রে কাজ করলে নানানমাত্রিক সুবিধা পাওয়া যায়। তথ্যকল্যাণী ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে কিংবা শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকলেও পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে বসেই এলাকাবাসীকে সেবা প্রদানের কাজ অব্যাহত রাখতে পারেন। ফলে সেবাগ্রহীতাগণ সঠিক সময়ে সেবা পেয়ে সন্তষ্ট থাকেন এবং পরিবারের আয়ও নিশ্চিত থাকে।
বতমানে বাংলাদেশে ৪৩ জন তথ্যকল্যাণী কাজ করছেন। তথ্যকল্যাণী অনেকগুলি সেবার মাধ্যমে আয় করেন। তারা মাসে ৫০০০ টাকা থেকে শুরু করে কোনো কোনো সময়ে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। গ্রাম পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তা পল্লীতথ্য কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে কিংবা প্রতি ইউনিয়নে ৩-৪ জন তথ্যকল্যাণী নিযুক্ত করতে পারেন এবং সার্বিক খাত থেকে পর্যাপ্ত আয় করে কার্যক্রম চলমান রাখতে পারেন।
Date & Time: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১১ইং
Resource Person : Sk. Masudur Rahman,
Deputy Director
Resource Person : Mosharrof Hossain,
Deputy Director
Resource Person : Md. Forhad Uddin,
Deputy Programme Director
... Resource Person : Dr. Ananya Raihan,
Executive Director